Ad Show
Tuesday, November 26, 2024
Thursday, April 7, 2022
Saturday, October 30, 2021
Thursday, October 28, 2021
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ (The Code of Civil Procedure,1908 ) Best law academy in Dhaka
দেওয়ানী কার্যবিধি written পরীক্ষার সাজেশনঃ
আসন্ন জুডিসিয়ারি ও Bar Council লিখিত পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর একাংশ দেয়া হল। পোস্টটি হেল্পফুল মনে হলে, আপনার প্রিয় বন্ধুর নামটি কমেন্ট বক্সে মেনশন করতে ভুলবেন না, যাতে তিনিও পোস্টটি থেকে উপকৃত হতে পারেন।
১। ক) The Code of Civil Procedure,1908 এর 35A ধারায় প্রদত্ত ক্ষতিপূরণ জনিত খরচা আদায়ের পদ্দতি আলোচনা করুন।
খ) Section 35A অনুসারে কোন ক্ষতিপূরণমূলক খরচার আদেশ প্রদান করা হলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কি? আপনার উত্তর কি ভিন্ন হবে যদি আদালত খরচার আদেশ প্রদান করতে অস্বীকৃতি জানায়?
গ) একটি বেসরকারি স্কুলের শিক্ষক স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে দেওয়ানী আদালতে মামলা করে তাকে চাকুরিচ্যুত করার আদেশ বেআইনি মর্মে ঘোষণাসহ চাকুরিতে পুনর্বহালের ডিক্রি পান। ডিক্রি বাস্তবায়ন না করলে ঐ শিক্ষক কি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে?
২।ক) “২০১৭ সালে The Code of Civil Procedure,1908 সংশোধন করে দেওয়ানী মামলাসমূহে বিকল্প পদ্ধতিতে নিস্পতির দিগন্ত উন্মোচন করা হয়েছে।“ – দেওয়ানী মামলার জট নিরসনে এই সংশোধনীর ভূমিকা ব্যাখ্যাপূর্বক বিশ্লেষণ করুন।
খ) দেওয়ানী মামলার ক্ষেত্রে দ্বিতীয় রিভিশনের সুযোগ আছে কি? ব্যাখ্যা করুন।
৩। ক) দেওয়ানী প্রকৃতির মামলা (Suit of Civil Nature) বলতে কি বুঝেন?
খ) ‘A’ একটি দেওয়ানী মামলা তদ্বিরের অভাবে খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে The Code of Civil Procedure,1908 এর আদেশ ৯ বিধি ৯ অনুযায়ী একটি দরখাস্ত দাখিল করেছেন। উক্ত দরখাস্তটিও তদ্বিরের অভাবে খারিজ হয়ে যায়। ‘A’ The Code of Civil Procedure,1908 এর ১৫১ ধারায় এই খারিজ আদেশ রদ রহিতের প্রার্থনায় একটি দরখাস্ত দাখিল করে। উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তের আলোকে ‘A’ এর দায়েরকৃত দরখাস্তটির আইনগত বৈধতা নিরূপণ করুন।
গ) দেওয়ানী মামলায় Cognizance গ্রহনের ক্ষেত্রে ‘Express’ এবং ‘Implied’ প্রতিবন্ধকের ধারনা উদাহরনসহ ব্যাখ্যা করুন।
৪। ক) প্লিডিংস সংশোধনের বিধান আলোচনা করুন। আরজি সংশোধনের দরখাস্ত নামঞ্জুরের বিরুদ্ধে প্রতিকার কি?
খ) ‘A’ স্বত্ব ঘোষণার দাবীতে ‘B’ এর বিরুদ্ধে মামলা করে। ‘A’ এর দাবী, উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত হয়ে বংশানুক্রমিকভাবে সে নালিশি জমি ভোগদখল করে আসছে। জবানবন্দীতে ‘A’ নালিশি জমিতে তার দখল দাবী করলেও জেরায় স্বীকার করে, ‘B’ বর্তমানে নালিশি জমি দখল করে। পরবর্তীতে ‘A’ আরজি সংশোধনীর দরখাস্ত দিয়ে স্বত্বসাব্যস্তক্রমে খাস দখলের প্রার্থনা করেন। সংশোধনী দরখাস্ত মঞ্জুর বা নামঞ্জুরের পক্ষে আইনের সংশ্লিষ্ট বিধান ও নজির উল্লেখপূর্বক উত্তর দিন।
গ) স্থানীয় তদন্ত বলতে কি বোঝায়? স্থানীয় তদন্ত প্রতিবেদনের সাক্ষ্যগত মুল্য উল্লেখ করুন।
৫। ক) আপিল আদালত কখন ও কিভাবে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে? কখন একটি আপিল আদালত মামলা রিমান্ডের আদেশ প্রদান করতে পারেন? এক্ষেত্রে বিচারিক আদালতের করনীয় কি? সংশ্লিষ্ট বিধান উল্লেখ পূর্বক আলোচনা করুন।
খ) আপিলের অধিন ডিক্রির কার্যকারিতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থগিত হতে পারে কি?
গ) তদ্বিরের অভাবে আপিল খারিজের আদেশ সরাসরি রদ ও তদ্বিরের অভাবে আপিলের একতরফা আদেশ সরাসরি রদের বিধান বর্ণনা করুন।
৬। একটি জমি বাবদ স্বত্ব ঘোষণার দাবীতে ‘ক’ সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি খারিজ করেন কারন ‘ক’ তার স্বত্ব এর ঘোষণা দলিল দাখিল করতে পারেন নাই। পড়ে ‘ক’ দলিলটি সংগ্রহ করেন। ‘ক’ কোন আদালতে কিভাবে প্রতিকার পেতে পারেন?
৭। ক) ‘Res Judicata’ ও ‘Estoppel’ এর মধ্যকার পার্থক্য নিরূপণ করুন।
খ) একতরফা ডিক্রি কি ‘Res Judicata’ হিসেবে কাজ করতে পারে?
গ) ‘অ’ তার বাড়ি ‘ই’ কে বার্ষিক ১২০০/- টাকায় ভাড়া দেয়। ২০০৫,২০০৬,২০০৭ সালের সমূদয় ভাড়া বাকি পড়ে। ২০০৮ সালে ‘অ’ ‘ই’ এর বিরুদ্ধে শুধুমাত্র ২০০৬ সালের ভাড়ার জন্য মামলা করে। ‘অ’ কি পরবর্তীতে ‘ই’ এর বিরুদ্ধে ২০০৫ বা ২০০৭ সালের ভাড়ার জন্য মামলা করতে পারবে? যুক্তিসহ উত্তর দিন।
৮। ক) মামলার ১ম শুনানির দিন পক্ষগণের মধ্যে যদি আইনগত বা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় না থাকে তবে আদালত কি করতে পারেন? বিধি বিধান উল্লেখ পূর্বক উত্তর দিন।
খ) কোন শর্তে এবং কয়টি মুলতবী মোকদ্দমার কোন পক্ষকে চূড়ান্ত শুনানির পর্যায়ে মঞ্জুর করা যায়?
গ) আদালত কর্তৃক মুলতবী খরচা দেয়ার আদেশ দেয়া হলে টা জমা দিতে ব্যর্থ হলে ফলাফল কি হবে? সেক্ষেত্রে সংক্ষুব্ধ পক্ষের প্রতিকার কি? আইনের প্রাসঙ্গিক বিধান উল্লেখ পূর্বক উত্তর দিন।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কিছু গুরত্বপূর্ন প্রশ্নের উত্তর জানেন Best law academy in Dhaka
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কিছু গুরত্বপূর্ন প্রশ্নের উত্তর জানেন কি?
১. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কত সালে প্রণীত হয়েছে ?উত্তরঃ ১৮৭৭ সালে ।
২. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কি ?
উত্তরঃ দেওয়ানী মোকদ্দমায় বাদীর প্রার্থনা অনুযায়ী প্রতিকার মঞ্জুর করা হলে তাকে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার বলে। অথবা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর অধীনে যে প্রতিকার প্রদান করা হয় তাকে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার বলে।
৩. ২. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কি ?
উত্তরঃ যে আইনের মধ্যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার সম্পর্কে বর্ণিত আছে তাকে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন বলে।
৪. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ সালের কত নং আইন ?
উত্তরঃ ১ নং আইন।
৫. এই আইনে মোট ধারা কতটি ?
উত্তরঃ ৫৭ টি ।
৬. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনকে কত খন্ডে বিভক্ত করা হয়েছে ?
উত্তরঃ ৩ টি ।
৭. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ কখন থেকে কার্যকর হয় ?
উত্তরঃ ১ মে ১৮৭৭ সালে।
৮. পদ্ধতি বিষয়ক আইন নয় কোনটি ?
উত্তরঃ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭
৯. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ সর্বশেষ সংশোধন হয় কখন ?
উত্তরঃ ২০০৪ সালে।
১০. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর সর্বশেষ সংশোধন ২০০৪ কখন থেকে কার্যকর হয় ?
উত্তরঃ ১ মে ২০০৪ সাল থেকে।
Specific Relief how given
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কিভাবে দেওয়া হয়
১. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দেওয়ার পদ্ধতি কত ধারায় ?
উত্তরঃ ৫ ধারায়।
২. আদালত কয় পদ্ধতিতে/প্রকারে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন ?
উত্তরঃ ৫ পদ্ধতিতে।
৩. কিভাবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দেওয়া হয় ?
উত্তরঃ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক (Receiver) নিয়োগের নাধ্যমে।
৪. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আওতায় পড়েনা কোনটি ?
উত্তরঃ আর্থিক ক্ষতিপূরণ।
৫. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা যায় না কখন ?
উত্তরঃ শুধুমাত্র দন্ড সংক্রান্ত আইন বলবৎ করার জন্য।
Nature of preventative relief
নিবর্তনমূলক/নিবারণমূলক/নিরোধক প্রতিকারের প্রকৃতি
১. নিরোধক প্রতিকার কি ?
উত্তরঃ যে কাজ করা হতে বিরত রাখার আদেশ প্রদান করা হয় তাকে নিরোধক প্রতিকার বলে।
২. নিরোধক প্রতিকার কিভাবে মঞ্জুর করা হয় ?
উত্তরঃ নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে।
Recovery of Possession of Property
সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার
১. স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার কত ধারায় ?
উত্তরঃ ৮ ও ৯ ধারায়।
২. দখল পুনরুদ্ধার কি ?
উত্তরঃ বেদখলকৃত সম্পত্তি উদ্ধার করা।
৩. স্থাবর সম্পত্তি হতে বেদখল হলে কি করবেন ?
উত্তরঃ স্বত্ব ঘোষণা ও খাস দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
৪. স্বত্ব ঘোষণা ও খাস দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমায় বাদীকে কি প্রমাণ করতে হবে ?
উত্তরঃ সম্পত্তিতে বাদীর আইনগত অধিকার এবং
জোরপূবক বেদখল
৫. বেদখলকৃত জমির মোকদ্দমার মূল্যমান কি হবে ?
উত্তরঃ বেদখলকৃত জমির মূল্য হবে মোকদ্দমার মূল্যমান যার উপর এডভোলারেম কোর্ট ফিস প্রদান করতে হবে।
৬. দখলের অধিকারী ব্যক্তি মালিক দখলে না থাকলে কোন ধারায় প্রতিকার চাইবে ?
উত্তরঃ ৮ ধারায়।
৭. সরকার কর্তৃক বেদখল হলে মোকদ্দমা কোন ধারায় ?
উত্তরঃ ৮ ধারায়, স্বত্ব ঘোষণা ও দখল পুনরুদ্ধারের মামলা।
৮. সরকারের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা যায় না কোন ধারায় ?
উত্তরঃ ৯ ধারায়।
৯. ৯ ধারা অনুযায়ী দখল পুনরুদ্ধারের জন্য প্রমাণ করতে হবে -
উত্তরঃ বাদী বেআইনীভাবে দখলচ্যুত হয়েছে,
বিনা অনুমতিতে দখলচুত হয়েছে
বাদী দখলে ছিল।
১০. আইনগত পন্থা ব্যতীত কোনো ব্যক্তিকে তার সম্মতি ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি হতে দখলচ্যুত হলে মোকদ্দমা কোন ধারায় ?
উত্তরঃ ৯ ধারায়।
১১. জোরপূবক বেদখল করলে কি করবেন ?
উত্তরঃ দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা করতে হবে।
১২. বেদখল হওয়ার কত দিনের মধ্যে দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
উত্তরঃ ৬ মাসের মধ্যে।
১৩. স্বত্বসহ খাসদখল উদ্ধারের মোকদ্দমা কত ধারায় ?
উত্তরঃ ৮ ও ৪২ ধারায়।
১৪. ৯ ধারায় কি আছে ?
উত্তরঃ স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার/বেদখলকৃত সম্পত্তি উদ্ধার সম্পর্কে।
১৫. ৯ ধারা অনুসারে কি প্রমান করতে হবে ?
উত্তরঃ দখল ও বেদখল।
১৬. ৯ ধারা অনুসারে স্থাবর সম্পত্তি দখল উদ্ধারের ডিক্রীর বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ পক্ষ কি করবে ?
উত্তরঃ রিভিশন (Revision)
১৭. দখল পুনরুদ্ধারের জন্য সরকারের বিরুদ্ধে কত ধারায় মামলা করা যায়?
উত্তরঃ ৮ ও ৪২ ধারায়।
১৮. ৯ ধারার ডিক্রী বা আদেশের বিরুদ্ধে কি করা যাবে না ?
উত্তরঃ আপীল বা রিভিউ ।
১৯. কোন ধারায় মামলা করতে মূলানুপাতিক কোর্ট ফীর অর্ধেক প্রদান করতে হয় ?
উত্তরঃ ৯ ধারায়।
২০. মূলানুপাতিক কোর্ট ফী প্রদান করতে হয় কোন ধারায় ?
উত্তরঃ ৮ ধারায়।
২১. ১০ ধারার বিষয়বস্তু কি ?
উত্তরঃ অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার।
২২. ৮ ধারার বিষয়বস্তু কি ?
উত্তরঃ স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার।
২৩. ৮ ধারায় মোকদ্দমা কে করবে ?
উত্তরঃ মালিক দখলচ্যুত হলে।
২৪. শর্ত সাপেক্ষে খাস দখলের মোকদ্দমায় বিবাদী হেরে গেলে কি করবে ?
উত্তরঃ আপীল।
Specific Performance of Contracts
সুনির্দিষ্ট চুক্তি সম্পাদন
১. সুনির্দিষ্ট চুক্তি সম্পাদন কি ?
উত্তরঃ চুক্তি অনুযায়ী চুক্তিভুক্ত পক্ষদের নিজ নিজ কার্য সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনই হলো সুনির্দিষ্ট চুক্তি সম্পাদন বা চুক্তি প্রবল।
২. সুনির্দিষ্ট চুক্তি সম্পাদন এর প্রতিকার কি ?
উত্তরঃ সুনির্দিষ্ট চুক্তি সম্পাদন এর আদেশ প্রদানের মাদ্ধমে আদালত যে প্রতিকার প্রদান করেন তাই "সুনির্দিষ্ট চুক্তি সম্পাদন এর প্রতিকার"।
৩. সুনির্দিষ্ট চুক্তি সম্পাদন কোন ধারায় ?
উত্তরঃ ১২ ধারায়।
৪. চুক্তি বাস্তবায়নের মোকদ্দমা কোন ধারায় ?
উত্তরঃ ১২ ধারায়।
৫. ১২ ধারায় বাদীকে কি প্রমাণ করতে হয় ?
উত্তরঃ বিবাদীর সহিত বৈধ চুক্তি হয়েছে,
বিবাদী কার্য সম্পাদনে অস্বীকৃতি জানিয়েছে এবং
বাদীর অপূরণীয় ক্ষতির সম্ভাবনা আছে।
৬. তামাদি আইন অনুযায়ী অস্বীকৃতির কত দিনের মধ্যে মামলা করতে হবে ?
উত্তরঃ ১ বছর।
৭. সুনির্দিষ্ট চুক্তি সম্পাদন ডিক্রী প্রদান আদালতের কি ধরণের ক্ষমতা ?
উত্তরঃ ইচ্ছাধীন ক্ষমতা,
যা মঞ্জুর করতে আদালত বাধ্য নয়।
৮. আংশিক চুক্তি সম্পাদন কত ধারায় ?
উত্তরঃ ১৩ - ১৭ ধারায়।
৯. একটি চুক্তি কখন সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায় ?
উত্তরঃ যখন আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার পাওয়া যায় না।
১০. একটি চুক্তি কখন সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায় না ?
উত্তরঃ যখন চুক্তিটি প্রকৃতগতভাবেই প্রত্যাহারযোগ্য।
১১. কোন চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিপালনের জন্য বাধ্য করা যাবে ?
উত্তরঃ যখন কোনো স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি করা হয়।
১২. কত ধারায় সুনির্দিষ্ট চুক্তি পালনযোগ্য হয় না ?
উত্তরঃ ২১ ও ২১(ক) ধারায়।
১৩. কোন সন হতে স্থাবর সম্পদ বিক্রয় অরেজিষ্ট্রিকৃত চুক্তিনামা বলবৎযোগ্য হয় না ?
উত্তরঃ ২০০৫ সন ।
১৪. ১ জুলাই, ২০০৪ তারিখে একটি রেজিষ্ট্রিকৃত চুক্তির অনুবলে সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তি বলবতের জন্য মামলা করার ক্ষেত্রে বাদীকে আরজির সাথে জমা দেওয়ার প্রয়োজন ছিল -
উত্তরঃ কোনো চুক্তিমূল্য দাখিল অপ্রয়োজনীয়।
১৫. কোন চুক্তিটি আদালতের মাধ্যমে বাস্তবায়নযোগ্য নয় ?
উত্তরঃ ছিনেমায় অভিনয়ের চুক্তি।
১৬. কোনটি আইন অনুযায়ী বলবৎযোগ্য ?
উত্তরঃ সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি।
১৭. "ক" ১০০ মণ গম "খ" এর নিকট বিক্রয় করার চুক্তি করে। "ক" উক্ত গম সরবরাহ করে নাই। "খ" এর প্রতিকার কি ?
উত্তরঃ "খ" সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারে।
১৮. চুক্তি পালন না করলে কি করবেন ?
উত্তরঃ চুক্তি বাস্তবায়নের মোকদ্দমা।
১৯. সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ক্ষেত্রে ডিক্রী প্রদানের ক্ষমতা -
উত্তরঃ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা / ২২ ধারায়।
২০. চুক্তি, আইন সম্মত হলেও কোন ধারায় আদালত চুক্তি বলবৎ করতে অস্বীকার করতে পারেন ?
উত্তরঃ ২১ ধারায়।
২১. যে চুক্তির কার্য সম্পাদন করতে হলে কাজ আরম্ভ করার তারিখ হতে ক্রমাগত ৩ বছরের বেশী সময় কাজ করতে হয় সেই চুক্তির কার্য সম্পাদনে-উত্তরঃ আদালত আদেশ দিবেন না।
২২. স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয়ের চুক্তি রেজিষ্ট্রিকৃত না হলে আদালত চুক্তির কার্য সম্পাদনের-
উত্তরঃ আদেশ দিবেন না।
২৩. স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয়ের চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যাবে না -
উত্তরঃ যদি চুক্তিটি লিখিত ও নিবন্ধিত না হয়।
২৪. জমির বায়না হওয়ার ৩ মাস পর বলছে রেজিষ্ট্রি করে দিবে না কি করবেন ?
উত্তরঃ চুক্তি বাস্তবায়নের মোকদ্দমা।
২৫. আম বাগানের মালিক আপনার নিকট বিক্রয়ের চুক্তি করার পর যদি অন্য কারো নিকট আবারো চুক্তি করে কি করবেন ?
উত্তরঃ চুক্তি বাস্তবায়নের মোকদ্দমা।
২৬.সম্পত্তি বিক্রয়ের পর দলিল না দিলে কি করবেন ?
উত্তরঃ চুক্তি বাস্তবায়নের মোকদ্দমা।
২৭. ২৯ ধারা অনুযায়ী চুক্তির সুনির্দিষ্ট প্রতিপালনের মামলা খারিজ হলে বাদী বারিত হবে-
উত্তরঃ ক্ষতিপূরণের মামলা করতে।
২৮. দলিল পাওয়ার জন্য কি করবেন ?
উত্তরঃ চুক্তি বাস্তবায়নের মোকদ্দমা।
Rescission of Instrument
দলিল সংশোধন
১. দলিল সংশোধন কত ধারায় ?
উত্তরঃ ৩১ ধারায়।
২. কখন দলিল সংশোধন করা যায় ?
উত্তরঃ প্রতারণার মাধ্যমে পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের জন্য চুক্তি বা দলিলে সত্যিকার উদ্দেশ্য ব্যাক্ত না করলে।
৩. একটি দলিল সংশোধিত হতে পারে শুধুমাত্র-
উত্তরঃ আদালত দ্বারা।
Cancellation of th Institution
দলিল রদ্ বা বাতিল
১. দলিল রদ্ বা বাতিল কত ধারায় ?
উত্তরঃ ৩৯ ধারায়।
২. দলিল রদ্ বা বাতিল করার জন্য কি প্রমাণ করতে হবে ?
উত্তরঃ দলিলটি বাতিলযোগ্য,
দলিলটি বাতিল না হলে বাদীর অপূরণীয় ক্ষতি হবে।
৩. দলিল বাতিলের মামলায় বাদীকে উক্ত দলিলের পক্ষ থাকার প্রয়োজন আছে কি ?
উত্তরঃ নাই
৪. আদালতের ডিক্রীর কপি সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্মকর্তার কাছে প্রেরণ করতে হয় কখন ?
উত্তরঃ লিখিত দলিল বাতিলের ক্ষেত্রে।
৫. কোন মামলায় আদালত ডিক্রির কপি রেজিষ্ট্রি অফিস এ প্রেরণ করতে আইনত বাধ্য ?
উত্তরঃ রেজিস্টার্ড দলিল বাতিলের মোকদ্দমা।
৬. বাতিলযোগ্য দলিল বাতিলের ডিক্রী প্রদানের ক্ষমতা আদালতের কিরূপ ক্ষমতা ?
উত্তরঃ স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা।
৭. পিতার মৃত্যুর পর একটি ভূয়া রেজিষ্ট্রি দলিল উপস্থিত হলে কি করবেন ?
উত্তরঃ দলিল বাতিলের মোকদ্দমা।
৮. কেউ আপনার বাড়ির ভূয়া/জাল দলিল নিয়ে আসলে কি করবেন ?
উত্তরঃ দলিল বাতিলের মোকদ্দমা।
৯. আংশিক দলিল বাতিল কোন ধারায় ?
উত্তরঃ ৪০ ধারায়।
Declaratory Decrees
ঘোষণামূলক ডিক্রী
১. "ঘোষণামূলক ডিক্রী" কত ধারায় ?
উত্তরঃ ৪২ ধারায়।
২. ঘোষণামূলক ডিক্রী কি ?
উত্তরঃ কোনো আইনগত পরিচয়, পদ বা সম্পত্তির অধিকারের ঘোষণা প্রার্থনা করে এখতিয়ার সম্পন্ন দেওয়ানী আদালতে যে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়।
৩. ঘোষণামূলক মোকদ্দমায় কি প্রমাণ করতে হবে ? অথবা
ঘোষণামূলক ডিক্রী কখন মঞ্জুর হয় ?
উত্তরঃ নালিশী বিষয়ে বাদীর অধিকার আছে,
বিবাদী সে অধিকার অস্বীকার করেছে।
৪. ঘোষণামূলক মোকদ্দমায় মোকদ্দমার মূল্যমান কি ?
উত্তরঃ দলিলে উল্লেখিত মূল্য/
তর্ক অধিকারের মূল্য।
৫. ঘোষণামূলক ডিক্রীর ফলাফল কত ধারায় ?
উত্তরঃ ৪৩ ধারায়।
৬. "A" একটি জমির বৈধ দখলে আছে। প্রতিবেশী গ্রামবাসী উক্ত সম্পত্তির উপর দিয়ে চলাচলের অধিকার দাবী করে। "A" কি করতে পারে ?
উত্তরঃ ঘোষণামূলক মোকদ্দমা।
৭. ৪২ ধারার মামলা খারিজ হলে কি করবেন ?
উত্তরঃ আপীল।
৮. ঘোষণামূলক ডিক্রী কখন মঞ্জুর হয় না ?
উত্তরঃ ঘোষণার সঙ্গে আনুষঙ্গিক প্রতিকার না চাইলে।
৯. স্বত্বের উপর কালিমা হলে -
উত্তরঃ স্বত্ব ঘোষণার মোকদ্দমা।
১০. স্বত্বের উপর কালিমা হলে কত ধারায় মামলা ?
উত্তরঃ ৪২ ধারায়।
১১. কলেজের অধক্ষ হিসেবে অবস্থান অস্বীকৃত হলে -
উত্তরঃ ৪২ ধারায় মামলা।
১২. "ঘোষণামূলক মোকদ্দমা" কে করতে পারে ?
উত্তরঃ আইন সম্মত বৈশিষ্টের অধিকারী ব্যক্তি, সম্পত্তিতে অধিকার আছে এমন ব্যাক্তি।
১৩. কোন ক্ষেত্রে দেওয়ানী আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা (Discretionary Power) প্রয়োগ করতে পারেনা ?
উত্তরঃ "ঘোষণামূলক মোকদ্দমা"
১৪. ভুলে অন্যের নামে রেকর্ড হলে কি করবেন ?
উত্তরঃ রেকর্ড সংশোধনের মামলা।
১৫. দলিলটি রেজিষ্ট্রি না হলে বা পক্ষ না থাকলে উক্ত দলিলটি বাদীর উপর বাধ্যকর নয় মর্মে ঘোষণার জন্য বাদী কি করতে পারেন ?
উত্তরঃ "ঘোষণামূলক মোকদ্দমা" (Declaratory Suit) দায়ের করতে পারেন।
১৬. ঘোষণামূলক মোকদ্দমায় কি প্রমাণ করতে হবে ?
উত্তরঃ ৪২ ধারা প্রমাণ করতে হবে।
১৭. প্রতি ঘোষণার জন্য কত টাকা কোর্ট ফিস দিতে হয় ?
উত্তরঃ ৩০০ টাকা।
১৮. তামাদি আইনের বিধান মতে তর্কিত ভূয়া দলিল সম্পর্কে অবগত হওয়ার তারিখ হতে কতদিনের মধ্যে "ঘোষণামূলক মোকদ্দমা" দায়ের করতে হবে?
উত্তরঃ ৬ বছরের মধ্যে।
Declaratory Decrees
ঘোষণামূলক ডিক্রী
১. কোনো ব্যাক্তি স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত একটি "ঘোষণামূলক মোকদ্দমা" দায়ের করতে পারে যদি সম্পত্তিতে তার -
উত্তরঃ একচ্ছত্র দখল থাকে।
২. ৪২ ধারায় মোকদ্দমা করার পর বেদখল হলে কি করবেন ?
উত্তরঃ "স্বত্ব ঘোষণা ও দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা"।
৩. "স্বত্ব ঘোষণা ও দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা" কত ধারায় করবেন ?
উত্তরঃ ৮ ও ৪২ ধারায়।
৪. স্বত্ব সাব্যস্তের মোকদ্দমায় উচ্ছেদ হলে কি করবেন ?
উত্তরঃ "স্বত্ব ঘোষণা ও দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা"
৫. স্থাবর সম্পত্তিতে স্বত্ব নাই দখল আছে কি করবেন ?
উত্তরঃ "স্বত্ব ঘোষণার মোকদ্দমা"
৬. স্থাবর সম্পত্তিতে স্বত্ব আছে দখল নাই কি করবেন ?
উত্তরঃ "স্বত্ব ঘোষণা ও দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা"
৭. স্বত্ব ঘোষণার মোকদ্দমায় কোর্ট ফিস কত ?
উত্তরঃ ৩০০ টাকা।
Receiver
তত্ত্বাবধায়ক
১. Receiver বা তত্ত্বাবধায়ক কোন ধারায় ?
উত্তরঃ দেওয়ানী কার্যবিধি এর ৪০ ধারায়।
২. তত্ত্বাবধায়ক কি ?
উত্তরঃ কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোনো মোকদ্দমাধীন সম্পত্তির তত্ত্বাবধানের উদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে দায়িত্বভার গ্রহণ করলে তাকে রিসিভার বলে।
৩. রিসিভার নিয়োগ আদালতের -
উত্তরঃ আদালতের সুবিবেচনামূলক ক্ষমতা।
Injunction
নিষেধাজ্ঞা
১. নিষেধাজ্ঞা কি ?
উত্তরঃ নির্দিষ্ট কোনো কাজ করা বা করা হতে বিরত থাকার জন্য কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা ব্যক্তিসমষ্টিকে আদালত যে নির্দেশ প্রদান করেন উহাই নিষেধাজ্ঞা।
২. নিষেধাজ্ঞা কত ধারায় ?
উত্তরঃ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫২ -৫৭ ধারা এবং দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ ৩৯ ।
৩. আদেশ প্রদানের প্রকৃতির দিক থেকে নিষেধাজ্ঞা কয় প্রকার ?
উত্তরঃ ২ প্রকার। যথা:
(I ) বাধ্যতামূলক/আদেশমূলক/হ্যাঁসূচক নিষেধাজ্ঞা
(II) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা/নিষেধমূলক/নাসূচক নিষেধাজ্ঞা
৪. দেওয়ানী আদালত কর্তৃক স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রী প্রচারের ক্ষমতা -
উত্তরঃ নিরোধমূলক।
৫. প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা যেতে পারে-
উত্তরঃ নিষেধাজ্ঞাদেশ দ্বারা।
৬. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় নিষেধাজ্ঞা আছে ?
উত্তরঃ ৫৪ ধারায়।
৭. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে নিষেধাজ্ঞা কত প্রকার ?
উত্তরঃ ৩ প্রকার।
৮. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয় কত ধারায় ?
উত্তরঃ ৫৪ ধারায়।
৯. ক্ষতির পরিমাণ নিরুপনের মানদণ্ড না থাকলে আদালত -
উত্তরঃ চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রী দিবেন না।
১০. আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে আদালত কিসের আদেশ দিবেন না ?
উত্তরঃ চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার।
১১. বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমসমূহের জটিলতা নিবারণের জন্য নিষেধাজ্ঞার প্রয়োজন হলে -
উত্তরঃ আদালত আদেশ দিবেন চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার।
১২. বাড়ি থেকে বেদখল করতে চাইলে -
উত্তরঃ চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা।
১৩. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার সংজ্ঞা -
উত্তরঃ ৫৩ ধারায়।
১৪. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার সংজ্ঞা -
উত্তরঃ ৫৩ ধারায়।
১৫. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কখন মঞ্জুর করা হয় ?
উত্তরঃ সাক্ষ্য গ্রহণ পূর্বক বিচার নিষ্পত্তির পর।
১৬. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কিভাবে চাওয়া যায় ?
উত্তরঃ আরজির মাধ্যমে।
১৭. জেলা জজ আদালত কোন বিচারিক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞাদিতে পারেন ?
উত্তরঃ কোনো অধস্তন দেওয়ানী আদালতের কার্যক্রম।
১৮. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আপীল -
উত্তরঃ ফৌজদারী কার্যবিধি ৯৬ ধারায়।
১৯. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার কিভাবে মঞ্জুর করা হয় ?
উত্তরঃ ডিক্রীর মাধ্যমে।
২০. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা-
উত্তরঃ ৫৫ ধারায়।
২১. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে কি করা হয় ?
উত্তরঃ নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা হয়।
২২. নিষেধাজ্ঞা নামঞ্জুর করা হয় -
উত্তরঃ ৫৬ ধারায়।
২৩. ৫৭ ধারায় কি আছে ?
উত্তরঃ চুক্তির না সূচক অংশ পালনে বাধ্য করা/নেতিবাচক নিষেধাজ্ঞা।
২৪. কোন ক্ষেত্রে দেওয়ানী আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে ?
উত্তরঃ অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মোকদ্দমা।
২৫. তামাদি আইন ১৯০৮, ১৪৪ ধারা অনুসারে কত বছরের মধ্যে "স্বত্ব ঘোষণা ও খাস দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা" দায়ের করা যায় ?
উত্তরঃ ১২ বছর।
২৬. তামাদি আইন ১৯০৮, ৩ অনুচ্ছেদে খাস দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা -
উত্তরঃ ৬ মাসের মধ্যে।
২৭. তামাদি আইন ১৯০৮, ১১৩ অনুচ্ছেদে চুক্তি ভঙ্গের কত বছরের মধ্যে মোকদ্দমা -
উত্তরঃ ১ বছর।
২৮. তামাদি আইন ১৯০৮, ৯১ অনুচ্ছেদে ভুয়া দলিল সম্পর্কে জানার -
উত্তরঃ ৩ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা।
২৯. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমার মূল্যমান সাধারণত -
উত্তরঃ ১০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
৩০. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমার তামাদির সময়সীমা -
উত্তরঃ ৬ বছর।
ফৌজদারী কার্যবিধি আইন ১৮৯৮ Best law academy in Dhaka
ফৌজদারী মামলায় বিকল্প রায় ( Judgment in alternative) কি?
কখন, কিভাবে আপনি এই সুবিধা পাবেন??
ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ৩৬৭(৩) ধারায় বিকল্প রায় ( Judgment in alternative) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
এই ধারায় বলা হয়েছে, “দণ্ডবিধির অধীন দণ্ড দেয়া হলে অপরাধটি উক্ত বিধির দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত অথবা একই ধারার দুইটি অংশের মধ্যে কোন অংশের অন্তর্ভুক্ত সে সম্পর্কে সন্দেহ থাকলে আদালত স্পষ্টরূপে উহা প্রকাশ করবেন এবং বিকল্প রায় প্রদান করবেন।“
“when the conviction is under the Penal code and it is doubtful under which of two sections, or under which of two parts of the same section, of that Code the offence falls, the Court shall distinctly express the same , and pass judgment in the alternative.”
ধারাটির প্লেইন রিডিং থেকে বুঝতে পারি, বিকল্প রায়ের বিষয়টি সাধারণভাবে রায় দেবার পদ্ধতি থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি পদ্ধতি এবং এই পদ্ধতিটি ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে শুধুমাত্র দণ্ডবিধির অধীনে দণ্ড দেবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
প্রশ্ন হচ্ছে বিকল্প রায় কি?
বিকল্প রায় হচ্ছে, যখন বিচারক সাক্ষ্য প্রমানের মাধ্যমে বুঝতে পারবেন , আসামী একটি অপরাধ করেছেন এটা কনফার্ম কিন্তু অপরাধটি কোন আইনের দুইটি ধারার কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত বা একটি ধারার দুইটি অংশের কোন অংশের অধীনে সংগঠিত অপরাধ সে সম্পর্কে বিচারকের সন্দেহ থাকে, তখন বিচারক সন্দেহ করা অপরাধ দুইটির বা একই ধারার দুইটি অংশের অপরাধ দুইটির শাস্তিই আলাদা করে তার রায়ে উল্লেখ করবেন এবং আসামীকে পছন্দ করতে দিবেন , আসামী কোন শাস্তি গ্রহণ করবেন।
একটা উদাহরণ দেই।
ধরি ,’ক” আইনের দুইটি ধারা হচ্ছে ‘X’ এবং ‘Y’। ‘X’ ধারার অপরাধের শাস্তি হচ্ছে ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড। একইভাবে ‘Y’ ধারার অপরাধের শাস্তি হচ্ছে ১ বছরের কারাদণ্ড এবং ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড। বিচারক যদি সাক্ষ্য প্রমান শেষে রায় প্রদানের সময় দেখেন যে, কোন আসামী ‘ক’ আইনের অধীনে একটি অপরাধ করেছে এটা কনফার্ম, কিন্তু অপরাধটি ‘X’ ধারার বর্ণিত অপরাধ নাকি ‘Y’ ধারার বর্ণিত অপরাধ এটা সাক্ষ্য প্রমানে স্পষ্ট না , তখন বিচারক দুইটি ধারার শাস্তিই তার রায়ে উল্লেখ করে আসামীকে তার নিজের শাস্তি হিসেবে কোনটি পছন্দ , সেটা পছন্দ করবার সুযোগ দিবেন। তখন আসামী তার পছন্দমত শাস্তি , তার নিজের শাস্তি হিসেবে গ্রহণ করবেন। যদি আসামী বড়লোক আসামী হয়, সে চিন্তা করবে, টাকা দিতে সে রাজি, কিন্তু এতদিন জেল খাটবে না, তখন আসামী নিশ্চয়ই ‘Y’ ধারার শাস্তিকে শাস্তি হিসেবে গ্রহণ করবে কারন এখানে তাকে ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড দিতে হচ্ছে এটা সত্য কিন্তু জেল খাটতে হচ্ছে মাত্র ১ বছর। অন্যদিকে যে আসামী গরীব সে আসামী পছন্দ করতে পারে, ‘X’ ধারায় প্রদত্ত শাস্তিকে, কারন এখানে তাকে ৫ বছর জেল খাটতে হচ্ছে এটা সত্য কিন্তু অর্থদণ্ড মাত্র ১০ হাজার টাকা। এভাবে বিচারক দুইটি ধারার শাস্তি বা একই ধারার দুইটি অংশের শাস্তি উল্লেখ করে আসামীকে তার নিজের শাস্তি পছন্দ করবার যে সুযোগ দেন, সেটাই বিকল্প রায় প্রদানের পদ্ধতি।
এই বিকল্প রায় ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে কেবল দণ্ডবিধির অপরাধের ক্ষেত্রেই দেবার সুযোগ আছে। বিচারক যদি মনে করেন, আসামী একটা অপরাধ করেছে এটা কনফার্ম কিন্তু সেটা দণ্ডবিধির ৩২৩ ধারা নাকি ৩৫২ ধারার অপরাধ সেটা নিয়ে সন্দেহ আছে, আবার কোন অপরাধ দণ্ডবিধির ৫০৬ এর পার্ট ১ নাকি ৫০৬ এর পার্ট ২ এর অপরাধ সেটা নিয়ে সন্দেহ আছে, অর্থাৎ সাক্ষ্য প্রমান পুরোপুরি স্পষ্ট না, সেক্ষেত্রে বিচারক দুইটি ধারার শাস্তিই তার রায়ে উল্লেখ করবেন এবং আসামীকে শাস্তি পছন্দ করবার সুযোগ দিবেন। এভাবে বিকল্প রায় প্রদান করার সুযোগ ফৌজদারী কার্যবিধি , ১৮৯৮ এর ৩৬৭(৩) ধারা প্রদান করেছে। যদিও বাস্তবে এই বিকল্প রায়ের পদ্ধতি প্রয়োগ হয় না, তবুও যদি কখন প্রয়োজন হয়, তখন যাতে বিচারক এভাবে বিকল্প রায় প্রদান করতে পারেন, সেই সুযোগটি ফৌজদারী কার্যবিধি ৩৬৭(৩) ধারায় রেখেছে।
পোস্টটি কতটুকু সহায়ক হল, কমেন্ট বক্সে জানাতে ভুলবেন না।
পেনালকোড-১৮৬০ এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস Best law academy in Dhaka
পেনালকোড-১৮৬০ এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস জানেন কি??
🔳দন্ডবিধি আইন অপরাধ সম্বলিত সাজা প্রদান করা হয় এবং এটি একটি মূল বা তত্ত্বগত আইনও বটে। দন্ডবিধি ১৮৬০ সালের ৪৫নং আইন। এটি প্রথমে (ইন্ডিয়ান পেনাল কোড) নামে পরিচিত ছিল। ১৯৪৭ এর পরে পাকিস্তান পেনাল কোড নামে পরিবর্তন করা হয় যা পরবর্তিতে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে ৩০/০৬/১৯৭৩ সালে শুধু পেনাল কোড নামে পরিচয় লাভ করে।
এই আইন কমিশনের চেয়্যারম্যান ছিলেন Lord Macaulay এবং G.W Anderson ও কমিশনের কমিশনার ছিলেন J.M Macleod এবং F. Millet. ১৮৩৭ সালে এই কমিশন দন্ডবিধি প্রণয়নের জন্য প্রথম খসড়া জমা দেন এবং ১৮৬০ সালের ৬ অক্টবর বিলটি পাস করা হয়। ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে দন্ডবিধি কার্যকর করা হয়।
মুল পেনাল কোডের ধারা ছিল ৪৮৮টি বর্তমানে এই আইনে ধারা আছে মোট ৫১১ টি এবং অধ্যায় আছে মোট ২৩ টি।
